ঢাকামঙ্গলবার , ২৬ মে ২০২৬
  1. NGO
  2. Uncategorized
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. ইসলামী বিধান
  9. কবিরহাট
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. কোম্পানীগঞ্জ
  12. খামার
  13. খেলাধুলা
  14. চাকুরি
  15. চাটখিল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

‎জঙ্গল সলিমপুরের নেপথ্যে কারা? ‎ভূমিদস্যু, সশস্ত্র গ্রুপ ও প্রভাবশালীদের ‘অঘোষিত রাজ্য’, যেন ‘রাষ্ট্রের ভেতরে আরেক রাষ্ট্র’

জহিরুল হক জহির
মে ২৬, ২০২৬ ১:২৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Spread the love

‎চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার আলোচিত জঙ্গল সলিমপুর দীর্ঘদিন ধরে ছিল দখল, চাঁদাবাজি ও সশস্ত্র আধিপত্যের অভয়ারণ্য। 

‎সরকারি খাসজমির ওপর গড়ে ওঠা এই বিশাল এলাকাকে ঘিরে স্থানীয়ভাবে সক্রিয় ছিল একাধিক প্রভাবশালী চক্র। প্রশাসন ও বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, ভূমিদস্যু ও সশস্ত্র গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণেই বছরের পর বছর চলেছে সেখানে অবৈধ কর্মকাণ্ড।

‎বিভিন্ন সূত্র অনুযায়ী, জঙ্গল সলিমপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ছিল “ইয়াসিন গ্রুপ” ও “রোকন গ্রুপ”। এই দুই পক্ষের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল, প্লট বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, অস্ত্রের মহড়া এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে। 

‎স্থানীয়দের ভাষ্য, পাহাড়ি দুর্গম ভূখণ্ডকে কাজে লাগিয়ে তারা সেখানে নিজেদের শক্ত ঘাঁটি তৈরি করে।

‎মিডিয়ার প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এসব চক্র বিভিন্ন সময় রাজনৈতিক প্রভাব ও স্থানীয় ক্ষমতাবান মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয় পেয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। 

‎যদিও কারা সরাসরি এর মূল নেপথ্যে ছিল, সে বিষয়ে এখনো আদালত বা সরকারি তদন্তে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসেনি।

‎জানা যায়, প্রায় ৩১০০ একর সরকারি জমিকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠে বিশাল অবৈধ অর্থনৈতিক নেটওয়ার্ক। জমি দখল করে প্লট বিক্রি, পাহাড় কাটা এবং অবৈধ বসতি স্থাপনের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার বাণিজ্য হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

‎সম্প্রতি প্রশাসনের অভিযান ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতার কারণে জঙ্গল সলিমপুর নতুন করে আলোচনায় আসে। অভিযানের সময় অস্ত্র উদ্ধার, অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ এবং বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের তথ্যও সামনে আসে।

‎স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণেই জঙ্গল সলিমপুর একসময় ‘রাষ্ট্রের ভেতরে আরেক রাষ্ট্রে’ পরিণত হয়েছিল। এখন এলাকাটি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে এনে সরকারি জমি উদ্ধার ও স্থায়ী শান্তি নিশ্চিত করাই প্রশাসনের বড় চ্যালেঞ্জ।