
বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে নোয়াখালীর মাদ্রাসা ছাত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলে অভিযুক্ত নিজের নাম-ঠিকানা গোপন করে ২০ দিন ঢাকার একটি বাসায় বন্দী করে ধর্ষণ করে। ধর্ষক হিন্দু সংগঠন ইস্কন সদস্য শুভ জিৎ মন্ডল।
এঘটনায় শনিবার (২১ জুন) রাতে খবর পেয়ে স্থানীয় হেফাজত ইসলামের আয়োজনে ইস্কন সদস্য শুভ জিৎ মন্ডলের বিচার চেয়ে নোয়াখালী সুধারাম মডেলথানা ঘেরাও শেষে নোয়াখালীর প্রধান সড়কে বিক্ষোভ, প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়।
ভিকটিম (২১) সদর উপজেলার ৩নং নোয়ান্নয় ইউনিয়ন বাধেরহাট গোরাপুর ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার (আলিম) এইচএসসি পরীক্ষার্থী বলে জানা গেছে। সে একই ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গত ১৭ মে শনিবার ভিকটিমকে বিয়ের প্রলোভনে ঢাকায় নিয়ে একটি বাসায় বন্দী করে। দীর্ঘ ২০ দিন ধরে হিন্দু সংগঠন ইস্কন সদস্য শুভ জিৎ মন্ডল ধর্ষণ করে।
২০ দিন ধর্ষণ শেষে ভিকটিমকে ঢাকার একটি পতিতালয়ে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয় অভিযুক্ত ধর্ষক ইস্কন সদস্য শুভ জিৎ মন্ডল।
ঘটনার পরে নিজ মেয়েকে সর্বত্র খোজাখুজি করে না পেয়ে নিকটস্থ থানায় একটি জিডি করেন ভুক্তভোগীর মা রহিমা বেগম। কিন্তু পুলিশ ছিলো নিরব ভূমিকায়।
ইস্কন সদস্য কর্তৃক মুসলিম মাদ্রাসা ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে ‘প্রোটেক্ট আওয়ার সিস্টার্স বিডি’ মানবতাবাদী সংগঠনের উদ্যেগে দেশব্যাপী তল্লাশি চালিয়ে ভিকটিমকে ঢাকার যাত্রাবাড়ীর একটি পতিতালয় থেকে উদ্ধার করে। ভিকটিম এখন নোয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
ভিকটিমকে উদ্ধার ও নিকটস্থ হসপিটালে ভর্তি করিয়ে তার পরিবার পক্ষ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিলেও ভিকটিমের মা রহিমা বেগমের করা নিজের মেয়েকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও পতিতালয়ে বিক্রির ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত আসামি এখনও ধরাছোঁয়ার বাইরে।
এ বিষয়ে সুধারাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনা ঘটেছে ঢাকায়। মামলা নেয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

