ঢাকামঙ্গলবার , ২৯ জুলাই ২০২৫
  1. NGO
  2. Uncategorized
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. ইসলামী বিধান
  9. কবিরহাট
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. কোম্পানীগঞ্জ
  12. খামার
  13. খেলাধুলা
  14. চাকুরি
  15. চাটখিল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নোয়াখালীতে টানা বৃষ্টিতে জলাবদ্ধ গ্ৰাম ও শহর, জনদুর্ভোগ চরমে

নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধিঃ
জুলাই ২৯, ২০২৫ ৭:৫২ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Spread the love

টানা বৃষ্টিতে আবারও জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে নোয়াখালী জেলা শহর ও পৌর এলাকার বিভিন্ন সড়ক। সড়ক ও বসতবাড়িতে জমে আছে পানি। এতে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন নোয়াখালীবাসী। 

‎মঙ্গলবার (২৯ জুলাই) সকালে সরেজমিনে জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন জলাবদ্ধতা দেখা যায়। 

‎জলাবদ্ধতার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ।

‎এর আগে, সোমবার দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত মাইজদী আবহাওয়া অফিসে ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়। এক টানা ৩ ঘণ্টার বৃষ্টির পর থেমে থেমে আরও বৃষ্টিপাত হয়, যার ফলে শহরের প্রধান সড়কগুলো হাঁটু পরিমাণ পানিতে তলিয়ে যায়।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ, পর্যাপ্ত ড্রেনেজ ব্যবস্থার অভাব এবং খাল-জলাশয় ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণেই এই দুর্ভোগ দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে।

‎জানা গেছে, চলতি জুলাই মাসে একাধিকবার টানা বৃষ্টির ফলে জেলার ৯টি উপজেলা ও পৌর এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। আগের পানি নামতে না নামতেই নতুন বৃষ্টিতে আবারও পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানি নিষ্কাশনের সঠিক ব্যবস্থাপনা না থাকায় সাধারণ মানুষ পড়েছেন চরম দুর্ভোগে।

‎জলাবদ্ধতার কারণে সোমবার বিপাকে পড়েন অফিস-আদালতের কর্মজীবী, ব্যবসায়ী ও পথচারীরা। বিশেষ করে মাইজদীর স্টেডিয়াম এলাকা, ইসলামিয়া সড়ক, টাউন হল মোড়, পৌর বাজার সড়ক, জেলা আদালত চত্বর, রেকর্ড রুমসহ বিভিন্ন এলাকায় হাঁটুপানি জমে যায়।

‎পৌরসভার এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘হাসপাতাল সড়ক দিয়ে রোগী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ হাজারো মানুষ চলাচল করেন। কিন্তু সড়কটি এখন গলার কাঁটা। এটা খুবই হতাশাজনক। আমরা দ্রুত সংস্কার চাই।’

‎জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেম, সোমবার দুপুর ১২টা থেকে ৩টা পর্যন্ত ৫৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী তিন-চার দিন থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে।

‎এ বিষয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদ বলেন, আমরা ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি খাল দখলমুক্ত করেছি। খালের ওপর গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। জনস্বার্থে আমাদের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।