ঢাকাসোমবার , ২৮ জুলাই ২০২৫
  1. NGO
  2. Uncategorized
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. ইসলামী বিধান
  9. কবিরহাট
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. কোম্পানীগঞ্জ
  12. খামার
  13. খেলাধুলা
  14. চাকুরি
  15. চাটখিল
আজকের সর্বশেষ সবখবর

নোয়াখালীর নদী ভাঙনরোধে ব্লক বাঁধ দরকার : হান্নান মাসউদ

জহিরুল হক জহির
জুলাই ২৮, ২০২৫ ৭:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

Spread the love

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদ বলেছেন, বঙ্গোপসাগরে অস্বাভাবিক জোয়ার ও নিম্নচাপের প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বেড়েছে নদীভাঙনের তীব্রতা।

প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে। তাই দ্রুত ভাঙনরোধে স্থায়ী সমাধান ব্লক বাঁধ দরকার।

 

গত কয়েকদিন ধরে অতি-বৃষ্টি ও জোয়ারে হরণী ইউনিয়নের চেয়ারম্যানঘাট এরিয়ায় নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান রোববার দুপুরে পরিদর্শন করে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় উপস্থিত জনতা ব্লক বাঁধের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

 

হান্নান মাসউদ বলেন, হাতিয়ার উপকূলীয় এলাকায় ভাঙন ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এখানে টেকসই ব্লক বাঁধ না দিলে অদূর ভবিষ্যতে পুরো জনপদ হুমকির মুখে পড়বে। বিষয়টি আমরা বারবার সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। কিন্তু কার্যকর উদ্যোগ আসছে না। হাতিয়াবাসীর জন্য আমি লড়ে যাব ইনশাআল্লাহ।

 

চেয়ারম্যান ঘাটের ব্যবসায়ী ও স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নদী ভাঙন ঠেকাতে হান্নান মাসউদ ভাই জিও ব্যাগ ফেলছেন। কিন্তু এতে করেও ভাঙন ঠেকানো যাচ্ছে না।

ঐতিহ্যবাহী মাছঘাট আজ  বিলীন হওয়ার পথে। হান্নান মাসউদ ভাইকে পেয়ে আমরা আমাদের মনের কথাগুলো বলতে পেরেছি। তবে বর্ষা মৌসুমে জোয়ারের সময় ভাঙনের তীব্রতা দ্বিগুণ হয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেকের বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। চাষের জমি, মাছের ঘের, গবাদিপশুর ঘরও হুমকিতে রয়েছে।

 

চানন্দী ইউনিয়নের বাসিন্দারা শাহিন আলম  বলেন, প্রতিবার জোয়ারে একটু একটু করে ভাঙে। এবার মাত্র এক সপ্তাহে আমার ২০ শতাংশ জমি নদীতে চলে গেছে। এখন ঘরটা নিয়ে কোথায় যাব—এই চিন্তায় আছি। পানি উন্নয়ন বোর্ড শুধু অস্থায়ী জিও ব্যাগ ফেলে সাময়িক সমাধান করা হচ্ছে, যা ভাঙন ঠেকাতে কার্যকর নয়।

 

প্রসঙ্গত, বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার মেঘনা নদীতে অস্বাভাবিক জোয়ার প্রবাহিত হচ্ছে। প্রবল জোয়ারের কারণে কোম্পানীগঞ্জের মুছাপুর ইউনিয়ন ও চরএলাহী ইউনিয়নের কিছু অংশ ও হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এতে কিছু কিছু জায়গায় ভাঙনও দেখা দিয়েছে। এর ফলে ভাঙনের মুখে পড়েছে শতাধিক বাড়িঘর।  হাতিয়ায় প্রায় তিন কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জলোচ্ছ্বাসে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে বেড়িবাঁধের বাইরের হাজার হাজার মানুষ। 

জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বসতঘর, রান্নাঘর, আঙিনা, রাস্তাঘাট ও মাছের ঘের। কোথাও হাঁটু পানি, আবার কোথাও কোমর সমান পানি জমে আছে। এসব এলাকায় বসবাসকারী হাজারো মানুষ এখন চরম দুর্ভোগে রয়েছেন।