
রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি F-7 বিজেআই প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস।
আহত হয়েছেন ১০০ জনেরও বেশি। উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুলের ভবনে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনা ঘটে।
দুপুর ১টা, ১৮ মিনিটে কিছু বুঝে ওঠার আগেই হঠাৎ করে বিধ্বস্ত হয় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান F-7 বিজেআই। আগুন ধরে যায় উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ক্যান্টিন ভবনে। দাউ-দাউ আগুনে ছড়িয়ে পরে আতঙ্ক।
মুহূর্তেই শিক্ষার্থী, অভিভাবক’সহ আহতদের আহাজারিতে ভারি হয়ে ওঠে পরিবেশ। উদ্ধার তৎপরতা শুরু করে সশস্ত্র বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস। অ্যাম্বুলেন্সের সাইরেন আর দগ্ধদের চিৎকারে চাপা পড়ে যায় সবকিছু। সন্তানদের খুঁজতে ভিড় করেন উদ্বিগ্ন অভিভাবকরা। আশপাশের মানুষও যোগ দেয় উদ্ধার তৎপরতায়।
আইএসপিআর জানায়, দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করে বিমান বাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমানটি। পাইলট ছিলেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তৌকির ইসলাম সাগর। দুর্ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে পৌঁছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকারউজ্জামান। ঘটনাস্থলে যান বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা।
আহতদের বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচে) নেয়া হয়। পাঠানো হয় আশ-পাশের হাসপাতাল গুলোতে। তবে শেষ খবর অনুযায়ী জানাগেছে- অনেক মা-বাবা ও আত্নীয়-স্বজন তাদের সন্তানকে খুজে পাচ্ছেননা। কোন ছাত্র/ছাত্রী কোন হাসপাতালে রয়েছে সে খোজে রয়েছেন অনেকেই।
হাসপাতাল গুলোতে কান্না আর আহাজারিতে ভারী হয়ে হয়ে গেছে পুরো দেশের আকাশ-বাতাশ। অন্যদিকে, দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা শোক বার্তা জানিয়ে সহযোগিতার কথা জানিয়েছেন।

