ঢাকাশুক্রবার , ৪ জুলাই ২০২৫
  1. NGO
  2. Uncategorized
  3. অপরাধ
  4. অর্থনীতি
  5. আইন আদালত
  6. আন্তর্জাতিক
  7. ইতিহাস
  8. কবিরহাট
  9. কৃষি ও কৃষক
  10. কোম্পানীগঞ্জ
  11. খেলাধুলা
  12. চাকুরি
  13. চাটখিল
  14. চাঁদপুর
  15. জাতীয়

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে দুদকের অভিযান

জহিরুল হক জহির
জুলাই ৪, ২০২৫ ১:৩৭ পূর্বাহ্ণ
Link Copied!

Spread the love

অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের অনুমোদনহীন কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
‎ 
‎বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) দুপুরে দুদকের উপসহকারী পরিচালক মো. জাহেদ আলম ও দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস এর নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।

‎অভিযোগ রয়েছে, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের নিজস্ব ল্যাব থাকলেও সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিটে স্বতন্ত্র ভাবে আরেকটি ল্যাব পরিচালনা করা হয়। একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা ডায়ালাইসিস, ক্যাথেটার ও ফিস্টুলা করার কথা থাকলেও এখানে তা করে টেকনেশিয়ান ইসমাইল।

‎সরকারিভাবে নির্ধারিত ফি ৫০০ টাকা হলেও ডায়ালাইসিস ইউনিটে ক্যাথেটার করতে নেওয়া হয় ২, ৫০০ টাকা এবং ফিস্টুলা করতে হয় ৬ হাজার টাকা দিয়ে। ‎যে টেস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ৭০০ টাকা নেওয়া হয়, একই টেস্ট কিডনি ল্যাবে ১, ৪০০ টাকা আদায় করা হয়।

‎এভাবে প্রতিমাসে এই ইউনিট থেকে কমপক্ষে ২০ লাখ টাকা অবৈধ ভাবে হাতিয়ে নেয়া হয়। যার ভাগ হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী’সহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির কাছে খাম করে পৌঁছে যায়। 

‎এ সকল অবৈধ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে ডা. মামুন পারভেজ। ডা. মামুন পারভেজ একজন সরকারি বেতনভুক্ত কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও কিডনি ইউনিট থেকে প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে আসছে।

‎ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ডা. ফজলে এলাহি খানের তদবিরে দীর্ঘ সময় ধরে সে ডায়ালাইসিস সেন্টারে এসব অপকর্ম করে আসছে। ডা. মামুন নামের পাশে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করেন এবং ৬০০ টাকা ভিজিটে কিডনি বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে বাহিরে চেম্বার করেন।    

‎এ বিষয়ে, ডা. মামুন পারভেজ অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই কিডনি ইউনিট চালানো হচ্ছে। এই কিডনি ইউনিট বন্ধ হলে অনেক সাধারণ রোগী ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এখানে কোন দুর্নীতি হয় না। আমি এখন বাহিরের চেম্বারে কোনো রোগী দেখি না।

‎অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডা. ফজলে এলাহির মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।  

‎হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য।  

‎অভিযানের পর এক দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান পরিচালনা করা হয়।

‎আজকে আমরা বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেছি। কিছু বিষয়ে আমরা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি।এ বিষয় গুলোর আমরা কাগজপত্র সংগ্রহ করেছি। এগুলো প্রতিবেদন আকারে প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করবো।