দেশের পোল্ট্রি শিল্প ও জনস্বাস্থ্যের জন্য অবৈধ ও নিম্নমানের মুরগির খাদ্য বর্তমানে একটি বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
অসাধু ব্যবসায়ীরা অনুমোদনহীন উপাদান, এমনকি ট্যানারির বর্জ্য ব্যবহার করে খাদ্য উৎপাদন ও বাজারজাত করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে মুরগির রোগবালাই বৃদ্ধি পাচ্ছে, মৃত্যুহার বাড়ছে এবং উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে খামারিরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, এসব খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনের সঙ্গে জড়িত অনেক পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীর কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই এবং তাদের কার্যক্রমে কার্যকর তদারকিও দেখা যায় না। এর ফলে খাদ্যের মান ও নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
পোল্ট্রি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্নমানের খাদ্য শুধু মুরগির স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত করে না, বরং খাদ্য নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি সৃষ্টি করে। তাই প্রতিটি খাদ্যের মান পরীক্ষার পাশাপাশি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ও বিক্রেতাদের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন নিশ্চিত করতে হবে।
অবৈধ খাদ্য কারখানা দ্রুত শনাক্ত করে বন্ধ করা, বাজারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি। দেশের পুষ্টি নিরাপত্তা ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা পোল্ট্রি শিল্পকে রক্ষা করতে হলে নিরাপদ ও মানসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।