পরিবেশ দূষণ ও বেকারত্ব বর্তমানে আমাদের দেশের দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। সঠিক পরিকল্পনা ও কার্যকর উদ্যোগের মাধ্যমে একই সঙ্গে এই দুই সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। এ লক্ষ্যে প্রতিটি এলাকায় বিশেষ পরিবেশ তদারকি ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী নিয়োগ করা যেতে পারে।
নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা রাস্তা, বাজার, পার্ক, খাল-বিল এবং অন্যান্য জনসাধারণের স্থানে পরিবেশ দূষণকারীদের চিহ্নিত করবে। তারা ছবি ও ভিডিওসহ প্রয়োজনীয় প্রমাণ সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেবে। প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধীদের বিরুদ্ধে জরিমানা আরোপ করা হবে। জরিমানার অর্থ পরিবেশ ব্যবস্থাপনা, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম এবং কর্মীদের বেতন প্রদানে ব্যবহার করা যেতে পারে।
এ ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে একদিকে পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকবে, অন্যদিকে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বিশেষ করে বেকার যুবকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্র হতে পারে, যা বেকারত্ব হ্রাসে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
একটি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ শুধু শহরের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে না; এটি জনস্বাস্থ্য রক্ষা, রোগবালাই কমানো এবং নাগরিক জীবনের মানোন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই কঠোর আইন প্রয়োগ, কার্যকর তদারকি এবং জনসচেতনতার সমন্বয়ে একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যসম্মত দেশ গড়ে তোলা সম্ভব।
প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা:

১. নিয়মিত সড়ক পরিষ্কার>

২. উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা>

৩. কঠোর আইন ও জরিমানা>

৪. পর্যাপ্ত পাবলিক বিন স্থাপন>

৫. পার্ক ও সবুজ এলাকা রক্ষণাবেক্ষণ>

৬. জনসচেতনতা বৃদ্ধি>
আমাদের করণীয়:

পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য সমাজ গড়তে আমাদের তিনটি বিষয় বিশেষভাবে অনুসরণ করা উচিত—
পরিচ্ছন্ন শহর গড়ার মূল ভিত্তি শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়; নাগরিকদের দায়িত্বশীল আচরণও সমান গুরুত্বপূর্ণ। সরকার ও জনগণের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যসম্মত ও পরিবেশবান্ধব দেশ গড়ে তোলা সম্ভব।